• সোমবার   ০১ জুন ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৮ ১৪২৭

  • || ০৯ শাওয়াল ১৪৪১

দৈনিক গোপালগঞ্জ
১৪৬০

খুলনায় আইসোলেশন ইউনিট প্রস্তুত, নেই করোনা রোগী

দৈনিক গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: ৫ এপ্রিল ২০২০  

প্রশিক্ষণ শেষে খুলনা ডায়াবেটিক হাসপাতালে স্থাপিত খুমেক হাসপাতালের (খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল) আইসোলেশন ওয়ার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে।

আইসোলেশন ওয়ার্ডের জন্য প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মচারীরা শনিবার থেকে ডিউটি শুরু করেছেন। তবে, এখন পর্যন্ত সেখানে কোন রোগী ভর্তি হয়নি।

আজ রোবরাব (৫ এপ্রিল) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আর.পি (মেডিসিন) ও কোভিড-১৯ ম্যানেজমেন্টের ফোকাল পার্সন ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস।

ডা. শৈলেন্দ্রনাথ বিশ্বাস জানান, তিন শিফটে ডিউটি শেষে সকল জনবলকে সিএসএস আভা সেন্টারের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে পাঠানোর কথা আছে। সেখানেই তাদের অবস্থান করার কথা। শুধুমাত্র তিনদিন বা পাঁচদিন পর পুনরায় যখন ডিউটি শুরু হবে তখন তাকে আসতে হবে ডায়াবেটিক হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিটে।

তবে, যেহেতু এখনও কোন করোনা পজেটিভ রোগী পাওয়া যায়নি, সেহেতু প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনকে অতোটা বাধ্যতামূলক করা হয়নি। কিন্তু যদি কোন পজেটিভ রোগী পাওয়া যায় তখন সংশ্লিষ্ট ডাক্তার-নার্স-কর্মচারীকে রোস্টার সময়ে সেখানে ডিউটিতে যোগ দিতে হবে।

প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইনে থাকা ডাক্তার-নার্স ও অন্যান্য জনবলকে ডায়াবেটিক হাসপাতালে আনা-নেয়ার জন্য সার্বক্ষণিক গাড়ি নিয়োজিত রাখা হয়েছে। যদিও খুমেক হাসপাতালের ফ্লু কর্ণারে করোনা সন্দেহে তিনজন রোগী চিকিৎসাধীন থাকলেও তাদের শরীরে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার কোন খবর পাওয়া যায়নি।

ঢাকায় অবস্থিত আইইডিসিআর (রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট) থেকে পরীক্ষা করার পর এ পর্যন্ত সব রিপোর্টই নেগেটিভ এসেছে। আগামী বুধ অথবা বৃহস্পতিবার নাগাদ খুলনা মেডিক্যাল কলেজে স্থাপিত পিসিআর মেশিন দিয়ে পরীক্ষা শুরু হলেই এ অঞ্চলের রোগীদের পরীক্ষার জন্য ঢাকায় যেতে হবে না।

খুলনা মেডিক্যাল কলেজের উপাধ্যক্ষ ডা. মো. মেহেদী নেওয়াজ জানান, বর্তমানে আইইডিসিআর’র প্রতিনিধিরা খুলনা বিভাগের প্রতিটি জেলায় অবস্থান করছেন। প্রতিদিন যে যেখান থেকে স্যাম্পল সংগ্রহ করবেন তা সন্ধ্যার মধ্যে যশোরে পৌঁছতে হবে। সেখান থেকে বিভাগের ১০ জেলার স্যাম্পল এক জায়গায় করে নির্দিষ্ট গাড়িতে করে নেয়া হয় ঢাকার আইইডিসিআরে।

ঢাকায় গিয়ে পরদিন মিলবে রিপোর্ট। তবে খুলনায় পরীক্ষা শুরু হলে দিনে দিনেই রিপোর্ট পাওয়া যাবে। যা চিকিৎসকদের সেবা দেয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হবে। তবে পিসিআর পরীক্ষার জন্য কোন অর্থের প্রয়োজন হবে না।

দৈনিক গোপালগঞ্জ
দৈনিক গোপালগঞ্জ
আঞ্চলিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর