• মঙ্গলবার   ০৬ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৯

  • || ১২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

দৈনিক গোপালগঞ্জ

আগামীকাল যশোরের জনসভায় ‘নতুন কিছু’ নির্দেশনা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

দৈনিক গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর ২০২২  

যশোরে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা থেকে দেশবাসীসহ নেতাকর্মীদের ‘নতুন কিছু’ নির্দেশনা দেবেন দলীয় প্রধান শেখ হাসিনা, এমন তথ্যই দিচ্ছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। তারা বলছেন, লাখো মানুষের সমাবেশে গর্জে উঠবে যশোর।

যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়, তাদের রুখে দেয়ার বার্তা দিতে প্রস্তুত আওয়ামী লীগ। বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) জেলা পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক জনসমাবেশ ঘিরে যশোরে সাজসাজ রব, প্রস্তুত মঞ্চ।

করোনার কারণে দীর্ঘ প্রায় আড়াই বছর কোনো জেলা সফরে যেতে পারেননি আওয়ামী লীগ প্রধান, হয়নি কোনো জনসভাও। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কেন্দ্র করে, রাজনীতির মাঠ যখন উত্তপ্ত হয়ে উঠছে, তখন আবারও জনসমাবেশমুখী ক্ষমতাসীন দল।

সবশেষ পাঁচ বছর আগে জনসমাবেশের পর বৃহস্পতিবার যশোরের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাকে স্বাগত জানাতে পুরো শহরের পাশাপাশি সেজে উঠেছে জেলা স্টেডিয়াম।

কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও নেতারাও তৎপর এ জনসভা ঘিরে। জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে ব্যাপক লোকসমাগমের পাশাপাশি, আওয়ামী লীগপ্রধান নির্বাচনকেন্দ্রিক বার্তা দেবেন বলেই আশা সংশ্লিষ্টদের।

বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য শেখ তন্ময় বলেন, এতদিন পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোরে আসছেন। যতটুকু বুঝতে পারছি, এখানে লাখ লাখ মানুষের সমাগম হবে।

যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার রাজনৈতিক কর্মসূচি হিসেবে যশোর জেলাকে বেছে নিয়েছেন তার প্রথম জনসভা করার জন্য। এখানে বঙ্গবন্ধু কন্যাকে দেখার জন্য যশোরের মানুষ উদ্গ্রীব হয়ে আছে।

বুধবার (২৩ নভেম্বর) সমাবেশস্থল পরিদর্শন শেষে, কেন্দ্রীয় নেতারা বলেন, এই মাঠ থেকেই বিরোধী শক্তিকে প্রতিহতের ডাক আসবে। জনসমাগম হবে অন্তত ১০ লাখ মানুষের।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র বানানোর জন্য ষড়যন্ত্রকারীরা যে ষড়যন্ত্রের রাজনীতি করছে তাদের বিপক্ষে সারা দেশের মানুষের কাছে একটি বার্তা যাবে; সেটা হলো- বাংলাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগের পক্ষে।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবীর নানক বলেন, যশোরসহ এই বাংলাদেশ হলো মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের বাংলাদেশ, অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রথম গর্জে উঠবে, এই যশোর থেকেই গর্জন শুরু হবে।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুত একেকটি প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে এখন বদলে গেছে যশোরের আদিরূপ। এককালের সন্ত্রাসের জনপদে সদর্পে মাথা তুলে দাঁড়ানো শেখ হাসিনা সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্ক এখন সম্পূর্ণ চালু।

শুধু তাই নয়, ভারত-বাংলাদেশ এর অন্যতম বড় গেটওয়ে হিসেবে, খুলনা-যশোর-বেনাপোল মহাসড়কও নির্মিত হচ্ছে নতুন করে। প্রথম ডিজিটাল জেলার খেতাব পাওয়া এই জনপদের অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দরটিও এখন আধুনিকায়নের অপেক্ষায়।

প্রস্তাবিত রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা, ফাউন্ড্রি ও লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক নির্মাণযজ্ঞসহ একগুচ্ছ প্রকল্পও এখন বাস্তবায়নের অপেক্ষায়।

দৈনিক গোপালগঞ্জ
দৈনিক গোপালগঞ্জ