• মঙ্গলবার ১৬ জুলাই ২০২৪ ||

  • শ্রাবণ ১ ১৪৩১

  • || ০৮ মুহররম ১৪৪৬

দৈনিক গোপালগঞ্জ

ভারতে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় প্রাণে বাঁচলেন ঝিনাইদহের দম্পতি

দৈনিক গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: ৪ জুন ২০২৩  

ভারতের ওড়িশা রাজ্যের বালাসোরে তিন ট্রেনের ভয়াবহ দুর্ঘটনায় কয়েকজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২ জুন) শালিমার স্টেশন থেকে করমন্ডল এক্সপ্রেসে করে ভেলর যাচ্ছিলেন ঝিনাইদহের মো. আক্তারুজ্জামান ও তার স্ত্রী মোছা. নূরজাহান। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বালাসোরের বাহাঙ্গাবাজার এলাকায় তাদের ট্রেন দুর্ঘটনা পড়ে। বর্তমানে এই দম্পতি সুস্থ আছেন।

জানা যায়, দুর্ঘটনায় পড়া করমন্ডল এক্সপ্রেস ট্রেনে ঝিনাইদহের মহেশপুর সরকারি পদ্মপুকুর শেখ হাসিনা ডিগ্রি কলেজের পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী শিক্ষক মো. আক্তারুজ্জামান ও তার স্ত্রী মোছা. নূরজাহান ছিলেন। স্ত্রী নূরজাহানের চোখের চিকিৎসার জন্য বৃহস্পতিবার (১ জুন) সকালে বাংলাদেশ থেকে ভারত যান তারা।

আক্তারুজ্জামানের বড় ছেলে অনিক রহমান নূর বলেন, মায়ের চোখের চিকিৎসা করাতে বেশ কয়েকবার ভারতে গিয়েছেন তারা। এবার সিদ্ধান্ত নেন ভেলর গিয়ে চিকিৎসা করাবেন। বৃহস্পতিবার সকালে তারা ভারত যান।

তিনি বলেন, দুর্ঘটনার পর বাবার সঙ্গে বেশ কয়েকবার কথা হয়েছে। বাবা বলেছেন, শুক্রবার দুপুরে পর শালিমার স্টেশন থেকে করমন্ডল এক্সপ্রেসে করে ভেলরের উদ্দেশ্যে রওনা করেন। সন্ধ্যা ৭টার দিকে উড়িষ্যার বালাশোর জেলার বাহাঙ্গাবাজার এলাকায় ট্রেনটি দুর্ঘটনায় পড়ে। দুই ট্রেনে থাকা হাজারো মানুষ হতাহত হয়েছেন। পেছনের দিকের একটি বগিতে থাকায় তাদের তেমন কোনো সমস্যা হয়নি।

অনিক রহমান নূর বলেন, দুর্ঘটনার পর তাদের উদ্ধার করে সুস্থ আছেন কি-না পরীক্ষা করা হয়। বাবা-মা এসি বগিতে ছিলেন। তাদের কোনো সমস্যা হয়নি। পরে বাসে করে ২০০ কিলোমিটার দূরের ভুবনেশ্বর স্টেশন থেকে পন্ডিশ্রী নামে আরেকটি ট্রেনে উঠিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। রোববার সকালে ভেলরে পৌঁছাবেন তারা।

মহেশপুর সরকারি পদ্মপুকুর শেখ হাসিনা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, আক্তারুজ্জামান স্ত্রীকে চিকিৎসা করতে ভারতে যাওয়ার জন্য পাঁচ দিনের ছুটি নিয়েছিলেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভারতে ট্রেন দুর্ঘটনার খবর শুনে তার পরিবারের সাথে যোগাযোগ করি। তখন জানতে পারি তিনি ও তার স্ত্রী দুজনই দুর্ঘটনায় কবলিত ওই ট্রেনেই ছিলেন; তবে সুস্থ আছেন। পরে আমিও তাদের সাথে কথা বলেছি। তারা এখন অন্য ট্রেনে করে ভেলর যাচ্ছেন।

কাজিরবেড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইয়ানবী বলেন, পাকড়াইল গ্রামের শিক্ষক আক্তারুজ্জামান ও তার স্ত্রী দুজনে ভারতে গিয়েছিলেন চিকিৎসার জন্য। সেখানে দুর্ঘটনা কবলিত ট্রেনে তারাও ছিলেন। খোঁজ নিয়ে জেনেছি তারা সুস্থ আছেন।

দৈনিক গোপালগঞ্জ
দৈনিক গোপালগঞ্জ