ব্রেকিং:
করোনায় সারাদেশে আরও ৯ জনের প্রাণহানি, শনাক্ত ২৭৫ খোলা বাজারে ডলারের মূল্য ৯০ টাকা ছাড়ালো স্বপ্নের পায়রা সেতু উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ৬ খুনের ঘটনায় মামলা, গ্রেফতার ১০
  • সোমবার   ২৫ অক্টোবর ২০২১ ||

  • কার্তিক ১০ ১৪২৮

  • || ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

দৈনিক গোপালগঞ্জ

সিনহাকে পাহাড়েই হত্যার পরিকল্পনা ছিল

দৈনিক গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১  

চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত সেনাবাহিনীর (অব.) মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারকার্যের তৃতীয় দফায় আরও দুইজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও আসামিপক্ষের জেরা সম্পন্ন হয়েছে। কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ ইসমাইলের আদালতে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত চলে আদালতের কার্যক্রম। আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন সিনহা হত্যা মামলার অন্যতম সাক্ষী মসজিদের ইমাম হাফেজ জহিরুল ইসলাম ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. রনধীর দেবনাথ।

এ সময় মামলার  অন্যতম ও গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হাফেজ জহিরুল ইসলাম আদালতকে বলেন, মেজর সিনহাকে টেকনাফ শামলাপুর উত্তর মারিশবুনিয়া এলাকার ট্যুইন্না পাহাড়ে ডাকাত হিসেবে সাব্যস্ত করে মেরে ফেলার পরিকল্পনা করেছিলেন আসামিরা।

সিনহা হত্যা মামলার আসামি পুলিশের সোর্স নুরুল আমিন মোহাম্মদ আয়াজ ও নিজাম উদ্দিন মারিশবুনিয়া উম্মুল কোরান মসজিদের মাইকে ট্যুইন্না পাহাড়ে ডাকাত এসেছে বলে বারবার ঘোষণা দিলে মসজিদের ইমাম হাফেজ জহিরুল ইসলাম ওই সময় তাদের বাধা দেন এবং জানান যে তারা ডাকাত নয়, তারা সেনাবাহিনীর লোক। কিন্তু আসামিরা তা শুনেনি।পাহাড়ে হত্যা করতে না পারলেও পরবর্তী বাহারছড়া শামলাপুর চেকপোস্টে  সিনহাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। 

এ ছাড়াও মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের লাশের  ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. রনধীর দেবনাথ আদালতে জবানবন্দি ও সাক্ষী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) অ্যাডভোকেট ফরিদুল আলম বলেন,আদালতে ডা. রনধীর দেবনাথ মেজর অব. সিনহাকে হত্যার পর কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে এলে লাশের ময়নাতদন্ত করেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে সিনহাকে হত্যার বিষয়ে আদালতে হুবহু বর্ণনা দিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তৃতীয় দফায় ১০ নম্বর সাক্ষী হাফেজ জহিরুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। এরপর ডা. রনধীর দেবনাথ সাক্ষ্যপ্রদান করেন। এছাড়া মামলার উপস্থিত অন্য সাক্ষী কক্সবাজার সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. শাহীন আবদুর রহমান ও সেনাসদস্য সার্জেন্ট আয়ুব আলীর সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

এদিকে আসামি ওসি প্রদীপের আইনজীবী অ্যাডভোকেট রানা দাশ গুপ্ত সিনহা হত্যা মামলার অভিযোগপত্রে হত্যার বর্ণনা ও ময়নাতদন্তের রিপোর্টে মারাত্মক গড়মিল রয়েছে বলে দাবি করেছেন।

এর আগে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কঠোর নিরাপত্তা বলায়ে কারাগার থেকে বরখাস্ত ওসি প্রদীপ-লিয়াকতসহ ১৫ জন আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়।

দৈনিক গোপালগঞ্জ
দৈনিক গোপালগঞ্জ