• শুক্রবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০২২ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৫ ১৪২৯

  • || ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

দৈনিক গোপালগঞ্জ

শতাধিক অনিবন্ধিত ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ও সীলগালা

দৈনিক গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৯ মে ২০২২  

সারাদেশে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে ওঠা অনিবন্ধিত ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে অভিযানে নেমেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। স্বাস্থ্য অধিদফতরের বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক সুপারভিশন ও মনিটরিং বিষয়ে সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। গতকাল শনিবার খুলনার তেরখাদা ও ফুলতলা, যশোর ও মাগুরাসহ দেশের বিভিন্ন জেলাতে অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। অভিযান চলাকালে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা অন্তত শতাধিক ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ, সীলগালার পাশাপাশি জরিমানা করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জন কার্যালয়, উপজেলা নির্বাহী কার্যালয়, র‌্যাব ও পুলিশ  এ অভিযানে অংশ নেয়। 
যশোর : একটি ক্লিনিকসহ ছয়টি অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। শনিবার জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ নাজমুস সাকিব রাসেলের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি টিম অভিযান চালিয়ে ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলো বন্ধ করে দেন।

 স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার অনিবন্ধিত ও নিবন্ধনের মেয়াদোত্তীর্ণ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এ সময় যশোর শহরের পিস হসপিটাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, নূরুল ইসলাম ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রোটারি হেলথ অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, সিএমসি ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং সেন্ট্রাল হাসপাতালের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নিবন্ধনের কাগজপত্র পায়নি স্বাস্থ্য বিভাগের টিম। সে কারণে তাদের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করে নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

 যশোর সিভিল সার্জন অফিসের মেডিক্যাল অফিসার ডাঃ রেহেনেওয়াজ বলেন, ‘ডেপুটি সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানের সময় ছয়টি অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।’

ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ নাজমুস সাকিব রাসেল বলেন, ‘আজ (শনিবার) যশোরের ৩৫টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়েছি আমরা। এর মধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠান কাগজপত্র দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। সে কারণে যতদিন পর্যন্ত তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখাতে না পারবে ততদিন পর্যন্ত কার্যক্রম বন্ধ রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।’

স্থানীয় সূত্র জানায়, যশোর জেলায় ২৯১টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে। এর মধ্যে ১১০টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। তবে এর মধ্যে কিছু অনিবন্ধিত ও আবার কিছুর নিবন্ধনের মেয়াদোত্তীর্ণ। এভাবেই দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল তারা। 
মাগুরা :  অনিবন্ধিত প্রাইভেট ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে জেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়েছে মাগুরা জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। শনিবার দুপুরে শহরের ভায়না, সরকারি কলেজ রোড, ঢাকা রোড, নতুন বাজার, স্টেডিয়ামগেটসহ বিভিন্ন এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় শহরের ভায়না রোকেয়া প্রাইভেট হাসপাতাল, একতা ক্লিনিক এ্যান্ড নার্সিং হোম, নিরাময় প্রাইভেট হাসাপাতাল, রিফাত ফার্মেসি, শাহানা মেডিকেল সাভির্সেস, অরো ডেন্টাল কেয়ার, সুখী নীলগঞ্জ প্রজেক্ট স্বাস্থ্যসেবাসহ সাতটি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

মাগুরা জেলা সিভিল সার্জন ডাক্তার শহিদুল­াহ দেওয়ান বলেছেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশে সারাদেশের মতো মাগুরা জেলা জুড়ে অবৈধ প্রাইভেট হাসপাতালের তালিকা তৈরি করে অভিযান চালানো হচ্ছে। যেসব হাসপাতালের নিবন্ধন নেই, সেসব হাসপাতালের লাইসেন্স নেই, ওষুধ ফার্মেসিতে ড্রাগ নিবন্ধন নেই, সেসব প্রতিষ্ঠানে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নিবন্ধন পেলে প্রতিষ্ঠানগুলো মালিকরা পুনরায় চালু করতে পারবেন বলে জানান তিনি।
টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলে বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ১৭টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি ক্লিনিককে জরিমানা করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের নির্দেশনায় শনিবার দিনব্যাপী অভিযানে এসব ক্লিনিককে সিলগালা ও জরিমানা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করে টাঙ্গাইল সদরসহ বিভিন্ন উপজেলার স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।
টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডাঃ আবুল ফজল মোঃ সাহাবুদ্দিন খান বলেন, বৈধ কাগজপত্র না থাকায় প্রথমদিনের অভিযানে টাঙ্গাইল সদরসহ বিভিন্ন উপজেলায় ১৭টি ক্লিনিক সিলগালা করা হয়েছে। আরও কয়েকটিকে জরিমানা করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
বরিশাল : জেলার গৌরনদীতে শনিবার সকালে অভিযান চালিয়ে চারটি অনিবন্ধিত ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। বিষয়টি নিশ্চিত করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মনিরুজ্জামান। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে নির্দেশনা পাওয়ার পর অনিবন্ধিত ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ক্লিনিকগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে। 
হবিগঞ্জ : জেলার মাধবপুর উপজেলায় অভিযান চালিয়ে ৫টি চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে তালা দিয়েছে প্রশাসন। শনিবার দুপুরে এক অভিযানে চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানগুলোয় তালা দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।
এ বিষয়ে হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মুখলিছুর রহমান উজ্জ্বল বলেন, হবিগঞ্জ জেলা সদরসহ ৯টি উপজেলায় অভিযান চালানো হবে। পর্যায়ক্রমে সবগুলো অবৈধ হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হবে।
চট্টগ্রাম : হাসপাতালের লাইসেন্সসহ কোনো কাগজপত্র না পাওয়া, পরিবেশের ছাড়পত্র না থাকা, অপরিষ্কার-অপরিচ্ছন্ন পরিবেশসহ বিভিন্ন অভিযোগে চট্টগ্রাম নগরীতে চারটি প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন অফিস। শনিবার চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরীর নেতৃত্বে  অভিযান পরিচালনা করে প্রতিষ্ঠান চারটি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ ইলিয়াস চৌধুরী। 
শেরপুরে : সারা দেশের ন্যায় শেরপুরেও অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করতে অভিযান শুরু করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিযানে জেলার মোট ৪২টি হাসপাতাল, প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার  দিনব্যাপী শেরপুরে অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে এ অভিযান চালানো হয়।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, প্রথমদিনের অভিযানে জেলা সদরের ৭২টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মধ্যে ২৬টি, শ্রীবরদী উপজেলায় ছয়টির মধ্যে ছয়টি, ঝিনাইগাতীতে পাঁচটির মধ্যে তিনটি, নালিতাবাড়ীতে ১১টির মধ্যে পাঁচটি ও নকলাতে সাতটির মধ্যে দু’টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ অনুপম ভট্টাচার্য বলেন, জেলায় ২৮টি ক্লিনিক/হাসপাতাল ও ১১১টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করায় অনেক মালিক পক্ষ লাইসেন্স নবায়ন করেননি আবার অনেকে নিবন্ধনের আবেদনই করেননি। তাই জেলায় মোট ৪২টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাকিগুলো যদি শর্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজ প্রস্তুত করে ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করে, তাহলে যাচাই-বাছাই করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।
নাটোর : অবৈধ ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধে অভিযানে নেমেছে নাটোরের স্বাস্থ্য বিভাগ। শনিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে নাটোর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মাহাবুবুর রহমান এবং জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট খালিদ হাসানের নেতৃত্বে শহরের মাদরাসা মোড়ে সেন্ট্রাল ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নরসিংদী : নিবন্ধনহীন ৫টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন। শনিবার দুপুরে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শ্যামল চন্দ্র বসাকের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের একটি দল জেলা সদরের বিভিন্ন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালিয়ে নিবন্ধন নেই এমন ৫টি প্রতিষ্ঠানকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। 
ফরিদপুর : জেলা সদরসহ পাঁচ উপজেলার অবৈধ ২০টি ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। শনিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জেলার সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ ছিদ্দীকুর রহমানের নেতৃত্বে স্বাস্থ্য বিভাগের একটি টিম অভিযান চালিয়ে এসব ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক বন্ধ করে দেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, অনিবন্ধিত ও নিবন্ধনের মেয়াদোত্তীর্ণ ক্লিনিক-ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান চালায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এ সময় জেলা সদরের দু’টি, সালথা উপজেলার তিনটি, মধুখালী উপজেলার সাতটি, বোয়ালমারী উপজেলার সাতটি ও সদরপুর উপজেলার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ঠাকুরগাঁও : জেলা শহরের বিভিন্ন অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করেছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এ সময় তিনটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার সীলগালাসহ একজনকে আটক করা হয়।
শনিবার বিকেলে শহরের সদর হাসপাতাল এলাকা, বঙ্গবন্ধু সড়ক ও পঞ্চগড় মহাসড়কের পাশে অবস্থিত ৪টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সদর উপজেলা সহকারী কমিমনার (ভূমি) শাহরিয়ার রহমান। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের হয়ে উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ ইফতেখাইরুল আহম্মেদ সজিব।
চাঁদপুর : জেলার কচুয়ায় ৪টি বেসরকারি হাসপাতালকে সীলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এছাড়া সরকারি নীতিমালা অনুসারে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার অভিযোগে ৩টি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে ৪৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইবনে আল জায়েদ হোসেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রাজন কুমার দাসকে সঙ্গে নিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৬ মে) দেশের সব অবৈধ ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে বন্ধের নির্দেশ দেয় স্বাস্থ্য অধিদফতর। এ সময়ের পর নিবন্ধনহীন ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার চালু থাকলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। এছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠান নিবন্ধন নবায়ন করেনি তাদের নিবন্ধন নাবায়ণ করার জন্য সময়সীমা বেঁধে দিতে হবে। সময়সীমার মধ্যে নবায়ণ না করলে ওই সব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। অপরদিকে যে সব প্রতিষ্ঠান নতুন নিবন্ধনের আবেদন করেছেন, তাদের নিবন্ধন দেওয়া কার্যক্রম দ্রুত শেষ করতে হবে। নিবন্ধন পাওয়ার আগে এসব প্রতিষ্ঠান কোনোভাবে কার্যক্রম চালাতে পারবে না।  সেই নির্দেশনা খুলনা সিভিল সার্জন দপ্তরে পাওয়ার পর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা শুরু করেছে।

দৈনিক গোপালগঞ্জ
দৈনিক গোপালগঞ্জ