ব্রেকিং:
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পাচারকালে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কাঠ জব্দ চাঁদপুরে ৫ কোটি টাকার অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ নেত্রকোনা বিকল ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ৩
  • শনিবার   ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||

  • আশ্বিন ১০ ১৪২৮

  • || ১৮ সফর ১৪৪৩

দৈনিক গোপালগঞ্জ
সর্বশেষ:
রেলের মাধ্যমে যুক্ত হবে কক্সবাজার-দার্জিলিং : রেলমন্ত্রী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ইইউ’র সহায়তা চান পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের মতো কোনো পরিস্থিতি হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

গোপালগঞ্জে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নিরাপদ খাবার পানিসরবরাহ

দৈনিক গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৬ মে ২০২১  

গোপালগঞ্জ জেলা সদরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে তীব্র তাপদহে নিরাপদ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দেওয়ায় খাবার পানির সমস্যা মেটাতে এগিয়ে এসেছে গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। যে সকল এলাকায় গভীর নলকুপ নেই, বা থাকলেও পানিতে লবনাক্ত থাকায় মানুষ ওই পানি পান করতে পারছেনা, সেসব এলাকার মানুষ দুর-দুরান্ত থেকে বা বিভিন্ন দোকান থেকে পানি কিনে পানির চাহিদা মেটাচ্ছে।

এ অবস্থায় ওইসব এলাকায় গিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে নিরাপদ খাবার পানি সরবাহ করছে গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর। জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর নির্দিষ্ট স্থানে ভ্রাম্যমান ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নিয়ে নদী বা পুকুর থেকে পানি তুলে ফিল্টারিং করে স্থানীয় জনগনকে নিরাপদ খাবার পানি সরবরাহ করছে।

শনিবার শহরতলীর কুয়াডাঙ্গা এলাকায় এবং গোপীনাথপুর আশ্রায়ন প্রকল্পে নদী থেকে পানি তুলে ফিল্টারিং করে প্রায় এক হাজার পরিবারের মাঝে নিরাপদ খাবার পানি সরকরাহ করা হয়। সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কর্মকর্তা রতন কুমার সাহা ভ্রাম্যমান ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নিয়ে এই পানি সরবরাহ করেন।

সদর উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল কর্মকর্তা রতন কুমার সাহা জানান, গোপালগঞ্জের পানিতে লবনাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপদ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখাদেয়। আর তাই আমরা রমজানের শুরু থেকেই প্রতিদিন সকালে আমরা আমাদের ভ্রাম্যমান ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট নিয়ে ভিবিন্ন এলাকায় গিয়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে অব্স্থান করে নদী বা পুকুর থেকে পানি তুলে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট শুরু করি। এরপর স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে স্থানীয়রা তাদের পানির পাত্র নিয়ে আমাদের কাছে এসে খাবার পানি নিয়ে যায়।

এই কর্মকর্তা আরো জানান, আমরা আমাদের ভ্রাম্যমান ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্টে প্রতি ঘন্টায় ৬০০ লিটার পানি ফিল্টারিং করি। দৈনিক ৭ থেকে ৮ ঘন্টায় আমরা অন্ত:ত এক হাজার পরিবারে খাবার পানি সরবরাহ করি। ইতিমধ্যে সদর উপজেলার প্রায় এলাকায় এই সেবা প্রদান করা হয়েছে।

গোপালগঞ্জ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক চন্দ্র তালুকদার বলেছেন, তীব্র তাপদহের কারনে গোপালগঞ্জ জেলার সর্বত্র লবনাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় নিরাপদ খাবার পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। করোনা মোকাবেলায় চলমান লকডাউনে অসহায় মানুষের পাশে দাড়াতে আমরা আমাদের ভ্রাম্যমান ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট গাড়ি পাঠিয়ে ভিবিন্ন এলাকায় পানি ফিল্টারিং করে স্থানীয়দের মাঝে সরবরাহ করি। আমাদের এই নিরাপদ খাবার পানি প্রদানের সেবা জেলার সর্বত্র চলমান থাকবে।

দৈনিক গোপালগঞ্জ
দৈনিক গোপালগঞ্জ