• শুক্রবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১৫ ১৪২৮

  • || ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

দৈনিক গোপালগঞ্জ

দৈনন্দিন ইসলামী প্রশ্ন-উত্তর

দৈনিক গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: ২৭ নভেম্বর ২০২১  

এলার্ম টোনে আজান সেট করা

প্রশ্ন : অনেকে ঘড়ির অ্যালার্ম, কলিং বেল, মোবাইলের রিংটোন ইত্যাদিতে আজান ও কোরআন তেলাওয়াত সেট করে রাখে। এভাবে ঘড়ির অ্যালার্ম, কলিং বেল, মোবাইলের রিংটোন ইত্যাদিতে আজান ও কোরআন তিলাওয়াতের সুর ব্যবহার করা যাবে কি?

আব্দুল হামিদ, কুমিল্লা

উত্তর : ঘড়ির অ্যালার্ম, কলিং বেল ও মোবাইলের রিংটোন ইত্যাদি আজান ও কোরআন তিলাওয়াত ব্যবহার করা আজান ও কোরআনের অবমাননার শামিল। তাই এটি বৈধ নয়। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া : ৫/৩১৬, আহসানুল ফাতাওয়া : ৮/১৭, ফাতাওয়ায়ে রহিমিয়া : ১০/৩৩৫)

নামাজে তাশাহুদের আগে ‘বিসমিল্লাহ’ পড়লে

প্রশ্ন : আমি সেদিন নামাজে তাশাহুদ পড়ার আগে ভুলবশত ‘বিসমিল্লাহ’ পড়ে ফেলেছি, এতে কি আমার নামাজের কোনো ক্ষতি হবে? সাহু সিজদা দিতে হবে কি?

আবুল হাশেম, বাংলামটর, ঢাকা।

উত্তর : ভুলবশত পূর্ণ ‘বিসমিল্লাহ’ তাশাহুদের আগে পড়ে ফেললে সাহু সিজদা ওয়াজিব হবে না। তবে তাশাহুদের শুরুতে জেনে-শুনে পূর্ণ বিসমিল্লাহ পড়া মাকরুহ। (হিন্দিয়া : ১/১২৭, ফাতাওয়ায়ে মাহমুদিয়া : ১৬/৩৫৫, আহসানুল ফাতাওয়া : ৪/৩৬, এমদাদুল আহকাম : ১/৬৭৯) 

সফরে সুন্নত পড়ার বিধান

প্রশ্ন : সফর অবস্থায় সুন্নত নামাজের বিধান কী? এ ক্ষেত্রে জরুরি সফর ও স্বাভাবিক সফরের মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে কি? দয়া করে জানাবেন।

মানিক, গাজীপুর।

উত্তর : মুসাফির স্বাভাবিক এবং স্থির অবস্থায় থাকলে সুন্নত পড়বে। পক্ষান্তরে সময়ের স্বল্পতা ও কর্মব্যস্ততা থাকলে সুন্নত ছেড়ে দেবে। তবে যথাসম্ভব ফজরের সুন্নত পড়ার চেষ্টা করবে। (আদ্দুররুল মুখতার : ২/১৩১, হিন্দিয়া : ১/১৩৯, আল বাহরুর রায়েক : ২/২৩০)

সিজদা করতে অক্ষম ব্যক্তির সিজদার বিধান

প্রশ্ন : এক ব্যক্তি নামাজের যাবতীয় রুকন সঠিকভাবে আদায় করতে সক্ষম, শুধু মাটিতে কপাল ঠেকিয়ে সিজদা আদায়ে অক্ষম। ওই ব্যক্তির সিজদা আদায়ের উত্তম পদ্ধতি কী? উদ্ধৃতিসহ জানালে কৃতজ্ঞ থাকব।

আব্দুল আলিম, বসুন্ধরা আ/এ

উত্তর : ওই ব্যক্তি কপাল ছাড়া শুধু নাক জমিনে লাগানো সম্ভব হলে শুধু নাক জমিনে লাগানোর মাধ্যমে সিজদা করবে। এ অবস্থায় ইশারায় সিজদা করলে নামাজ শুদ্ধ হবে না। পক্ষান্তরে নাকও জমিনে লাগানো সম্ভব না হলে বসা বা দাঁড়ানো অবস্থায় মাথার ইশারায় রুকু-সিজদা করার অনুমতি আছে। তবে বসে মাথার সাহায্যে ইশারা করে রুকু-সিজদা করা উত্তম। আর ইশারার ক্ষেত্রে সিজদার জন্য রুকুর তুলনায় মাথা একটু বেশি নিচু করতে হবে। (হেদায়া : ১/৩৪৮, হিন্দিয়া : ১/১৩৬, আদ্দুররুল মুখতার : ২/৯৬, আহসানুল ফাতাওয়া : ৪/৫৫, ফাতাওয়ায়ে হক্কানিয়া : ৩/৩৩৪)

দৈনিক গোপালগঞ্জ
দৈনিক গোপালগঞ্জ