• বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৫ ১৪৩১

  • || ১২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

দৈনিক গোপালগঞ্জ

কোটালীপাড়ায় অবৈধভাবে সরকারি জায়গা দখল করে ভবন নির্মানের চেষ্টা

দৈনিক গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: ৩০ মার্চ ২০২৩  

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় সরকারি বাধাঁ উপেক্ষা করে অবৈধভাবে সরকারি জায়গা দখল করে তিনতলা ভবন নির্মান করার চেস্টা করছেন অমল বিশ্বাস নামে এক ভূমিদস্যু।ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রাধাগঞ্জ বাজারে। কয়েকবার তাকে ভবন নির্মানে বাধাঁ দিলেও সে সরকারি সকল বাধাঁকে উপেক্ষা করে দফায় দফায় ভবন নির্মানের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। 

এ-ঘটনায় (৩০ মার্চ) বৃহস্পতিবার স্হানীয় ইউনিয়ন ভুমি তহশিলদার কিশোর কান্তি চক্রবর্তি সরেজমিনে তাদের পাঁকা ভবন নির্মানে বাধাঁ প্রদান করলে তার সাথে দখলদারদের মধ্যে ব্যাপক বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। তহশিলদার কিশোর কান্তি চক্রবর্তি বলেন রাধাগঞ্জ বাজারে ২৯ নং ছোট দিঘলিয়া মৌজার ১/১ নং খতিয়ানের বিআর এস ৪৭৯ নং দাগে ২ সতাংশ ভিপি সম্পত্তি থেকে এক সতাংশ জমি মান্দ্রা গ্রামের অমল বিশ্বাসের নামে এক বছরের জন্য ডিসিআর দেওয়া হয়েছে কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে যে অমল বিশ্বাস ডিসিআরের নিয়ম ভঙ্গ করে পাঁকা ভবন নির্মান করার চেস্টা করছেন।বিষয়টি জানতে পেরে আমি তাদেরকে নিষেধ করেছি,তারা আমার নিষেধ না শুনে পুনরায় আবার ভবন নির্মানের কাজ করছে।বার বার তারা আমাদের বাধাঁকে উপেক্ষা করে পুণরায় ভবন নির্মানের কাজ শুরু করলে আজ তাদের কে নিষেধ করেছি এবং তারা আমাদের সরকারি জায়গা থেকে ভবন নির্মানের মালামাল সরিয়ে নেওয়ার কথা বলেছে। এদিকে স্হানীয়রা জানিয়েছেন অমল বিশ্বাস এক সতাংশ জমি ডিসিআর নিয়ে এখন তিন সতাংশ সরকারি জমি অবৈধভাবে দখল করে সেখানে তিনতলা পাকা ভবন নির্মান করার চেস্টা করছেন। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে অমল বিশ্বাস তিন সতাংশ জমির চতুর্পাশ দিয়ে টিনের প্রাচির তৈরি করে ভিতরে তিন সতাংশ জমির উপরে তিনতলা পাকা ভবন নির্মান করছেন এবং মানুষের যাহাতে দৃষ্টি তার ভবনের উপর না পড়ে এজন্য চালাকি করে আগে প্রাচির নির্মান করে ভিতরে ভবনের কাজ করছেন।ভবন নির্মানের বিষয়ে জানতে চাইলে অমল বিশ্বাস বলেন লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে ভবন নির্মান করছি, এতে কাগজ দেখাতে হবে কেন। সরেজমিনে সে কোন কাগজ দেখাতে পারেনি উল্টো তার ভবন নির্মান কেউ ঠেকাতে পারবেনা বলে হুমকি প্রদর্শন করেন।স্হানীয় শেখ মোঃ মিজানুর রহমান বলেন আমি শুনেছি

অমল বিশ্বাস এক সতাংশ জমি এক বছরের জন্য অস্হায়ী ভাবে ডিসিআর নিয়েছে এখন দেখছি সেখানে তিন সতাংশ জমি জোর করে অবৈধভাবে দখল করে তিনতলা পাকা ভবন নির্মান করছেন।

অপর দিকে রাধাগঞ্জ ইউনিয়ন তহশিলদারের চোখের সামনে বার বার অন্যায় ভাবে জোর করে এ ভবনটি নির্মান করার চেস্টা করায় স্হানীয়দের মাঝে ব্যপক আলোচনা সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফেরদৌস ওয়াহিদ বলেন ডিসিআরের স্বর্ত ভঙ্গ করে পাঁকা ভবন নির্মান করার চেস্টায় তার ডিসিআর বাতিল এবং তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

দৈনিক গোপালগঞ্জ
দৈনিক গোপালগঞ্জ