• সোমবার ১৭ জুন ২০২৪ ||

  • আষাঢ় ৩ ১৪৩১

  • || ০৯ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৫

দৈনিক গোপালগঞ্জ

মধ্যরাত থেকে মাছ শিকারে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা

দৈনিক গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৯ মে ২০২৪  

রোববার মধ্যরাত থেকে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে ৬৫ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। এই সময়ে বেকার হয়ে পড়বে বরগুনা উপকূলের লক্ষাধিক জেলে।

জেলেদের অভিযোগ, নিষেধাজ্ঞার সময়ে সরকারের চাল সহায়তা সংগ্রহ করতে টাকা দিতে হয় জনপ্রতিনিধিদের। এছাড়া ভারতের অবরোধের সময়সীমার সঙ্গে মিলিয়ে বাংলাদেশে অবরোধের সময়সীমা ঠিক করার দাবিও তুলেছেন তারা।

দেশের উপকূলীয় এলাকার জেলেদের মাছ ধরার প্রধান গন্তব্য বঙ্গোপসাগর। ইলিশসহ নানা প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ধরেন তারা। ১৯ মে রাত ১২টা থেকে ৬৫ দিনের জন্য নিষিদ্ধ হচ্ছে সাগরে মাছ ধরা।

বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় মাছের নিরাপদ প্রজনন, উৎপাদন বৃদ্ধি ও টেকসই আহরণের জন্য প্রতিবছর এই নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার।

নিষেধাজ্ঞার এই দুই মাস সংসার চালাতে জেলেদেরকে চাল দেয় সরকার। তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের স্বজনপ্রীতিতে অনেক প্রকৃত জেলে এই সহায়তা পায় না, অভিযোগ তাদের।

অন্যদিকে জেলে আর ট্রলার মালিকরা বলছেন, বাংলাদেশের সীমানায় ভারতীয় জেলেদের অনুপ্রবেশ ঠেকানো না গেলে বিফলে যাবে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা।

জেলেদের অভিযোগ, ভারতের জেলার নিষেধাজ্ঞার সময় মাছ ধরে নিয়ে যায়। অবরোধে শেষে তাই তারা মাছ পান না।

বাংলাদেশ মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধূরী বলেন, সরকারের উচিত, ভারতের সাথে একইসময়ে নিষেধাজ্ঞা দেয়া। তাকে দুই দেশের কেউই মাছ ধরবেন না, আসলেই নিষেধাজ্ঞা কাজ করবে।

অবশ্য প্রতিবেশী দেশের জেলেদের অনুপ্রবেশ বন্ধে সাগরে তৎপরতা বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন জেলার মৎস্য কর্মকর্তা মো. মহসীন।

তিনি বলেন, সব তো আমাদের ক্ষমতার মধ্যে না। আমরা সম্বনিতভাবে অন্যদের সাথে মিলে চেষ্টা করছি।

উপকূলীয় জেলা বরগুনায় জেলের সংখ্যা প্রায় এক লাখ। অথচ সাগরে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞার সময় ৮০ কেজি করে চাল পাবেন মাত্র ২৭ হাজার ২৫০ জন জেলে।

দৈনিক গোপালগঞ্জ
দৈনিক গোপালগঞ্জ