• বুধবার   ০৮ ডিসেম্বর ২০২১ ||

  • অগ্রাহায়ণ ২৪ ১৪২৮

  • || ০৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

দৈনিক গোপালগঞ্জ

পাপুয়া নিউগিনিকে হারিয়ে সুপার টুয়েলভের পথে স্কটল্যান্ড

দৈনিক গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: ১৯ অক্টোবর ২০২১  

বাংলাদেশের পর পাপুয়া নিউগিনিকেও হারালো স্কটল্যান্ড। ফলে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুুপার টুয়েলভের পথে অনেকটাই এগিয়ে গেলো দলটি। আজ (মঙ্গলবার) আল আমেরাতে পাপুয়া নিউগিনিকে ১৭ রানে হারিয়েছে স্কটিশরা। প্রথমপর্বের 'বি' গ্রুপে এখন তারাই শীর্ষে। এই গ্রুপ থেকে দুটি দল নাম লেখাবে সুপার টুয়েলভে।

১৬৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাপুয়া নিউগিনি। তবে দুই ওপেনার টনি উরা (২) আর লেগা সিয়াকা (৯) ফেরার পর ভালো কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছিলেন অধিনায়ক আসাদ ভালা। কিন্তু ১১ বলে ১৮ রান করে তিনিও সাজঘরের পথ ধরেন।

এরপর নিজের ভুলে বোকার মতো রানআউট হন চার্লিস আমিনি (১)। সিমোন আতাই ২ রান করেই ক্যাচ তুলে দেন ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে। পাওয়ার প্লে'র ৬ ওভারে ৩৫ রান তুলতেই ৫ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে পাপুয়া নিউগিনি।

সেসে বাউ ধরে খেলে সেই বিপর্যয় কিছুটা কাটিয়ে উঠেন। তবে তিনিও ২৩ বলে ২৪ রানের বেশি এগোতে পারেননি। ৬৭ রানে ৬ উইকেট খুইয়ে কার্যত ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে পাপুয়া নিউগিনি। সেখান থেকে নরমান ভানুয়া আর কিপলিন দরিগার ২৮ বলে ৫৩ রানের জুটিতে ফের আশা জাগে নবাগত দলটির। ১৬ ওভার শেষে ৬ উইকেটেই ১২০ রান তোলে পাপুয়া নিউগিনি।

শেষ পর্যন্ত ১৭তম ওভারে এসে দরিগা (১১ বলে ১৮) মার্ক ওয়াটের ঘূর্ণিতে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়লে হাঁফ ছেড়ে বাঁচে স্কটল্যান্ড। ভানুয়ার লড়াই আর কাজে আসেনি। ৩৭ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় ৪৭ রানে থামতে হয় এই ব্যাটারকেও।

স্কটিশ বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন জশ ড্যাভে। ১৮ রান খরচায় ৪টি উইকেট নেন এই পেসার।

এর আগে ব্যাটিংয়ে শুরুটা তেমন ভালো ছিল না স্কটল্যান্ডের। ২৬ রানেই হারায় ২ উইকেট। সেখান থেকে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় স্কটিশরা। ম্যাথিউ ক্রস আর রিচি বেরিংটনের ব্যাটে চড়ে ৯ উইকেটে তোলে ১৬৫ রান।

আল আমেরাতে টস জিতে ব্যাটিং বেছে নেয় স্কটল্যান্ড। দুই ওপেনার ১৩ বলে এনে দেন ২২ রান। কাইল কোয়েতজার ছিলেন বাড়তি সতর্ক। কিন্তু স্কটিশ অধিনায়কের সেই সতর্কতায় কাজ হয়নি। তৃতীয় ওভারে বাঁহাতি পেসার কাবুয়া মোরেয়ার চোখ ধাঁধানো এক ডেলিভারিতে বোল্ড হন কোয়েতজার (৬ বলে ৬)। আরেক ওপেনার জর্জ মুনসে তার তুলনায় মারমুখী ছিলেন।

কিন্তু পরের ওভারে তিনিও সাজঘরের পথ ধরেন। চাদ সপারকে তুলে মারতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ হন মুনসে (১০ বলে ১৫)। ২৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে স্কটিশরা। সেখান থেকে ম্যাথিউ ক্রস আর রিচি বেরিংটনের দারুণ এক জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় স্কটল্যান্ড। তৃতীয় উইকেটে ৬৫ বলে ৯২ রান যোগ করে দলকে ভালো অবস্থানে পৌঁছে দেন এই যুগল।

দুর্ভাগ্য ক্রসের। হাফসেঞ্চুরির খুব কাছেই ছিলেন। সিমন আতাইকে ভুল শট খেলে বসেন ব্যক্তিগত ৪৫ রানে। ৩৬ বলে ২টি করে চার-ছক্কায় গড়া তার ইনিংসটি থামে বাউন্ডারি লাইনের ক্যাচে।

তবে ফিফটি তুলে নিতে ভুল করেননি বেরিংটন। ৩৭ বলে হাফসেঞ্চুরি পূরণ করার পর ১৯তম ওভার পর্যন্ত দলকে টেনে নিয়ে গেছেন তিনি। ৪৮ বলে ৬ চার আর ৩ ছক্কায় ৭০ রান করে সপারের শিকার হন ব্যাটার।

শেষ দুই ওভারে ১৫ রান যোগ করে ৬ উইকেট হারায় স্কটিশরা। নাহলে পুঁজিটা আরও বড় হতে পারতো কোয়েতজারের দলের। পাপুয়া নিউগিনির বোলারদের মধ্যে কাবুয়া মোরেয়া ৪টি এবং চাদ সপার নেন ৩টি উইকেট।

দৈনিক গোপালগঞ্জ
দৈনিক গোপালগঞ্জ