• বুধবার   ০৬ জুলাই ২০২২ ||

  • আষাঢ় ২২ ১৪২৯

  • || ০৬ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

দৈনিক গোপালগঞ্জ

কিংবদন্তী শিল্পী লাকী আখান্দকে হারানোর পাঁচ বছর

দৈনিক গোপালগঞ্জ

প্রকাশিত: ২১ এপ্রিল ২০২২  

আমায় ডেকো না-ফেরানো যাবে না-ফেরারি পাখিরা কুলায় ফেরে না’। নিজের গানের সুর ধরেই ২০১৭ সালের ২১ এপ্রিল না ফেরার দেশে পাড়ি জমান প্রখ্যাত সুরকার, সংগীত পরিচালক ও গায়ক লাকী আখান্দ।

গানে গানে যিনি বলেছিলেন, ‘বিবাগী এ মন নিয়ে জন্ম আমার- যায় না বাঁধা আমাকে কোন পিছু-টানের মায়ায়’। সত্যিই তাই হল, ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হাজার ভক্তের মায়াও পরাজিত তার কাছে। ৬১ বছর বয়সে প্রয়াত হন বাংলা গানের জনপ্রিয় এই মুখ। বৃহস্পতিবার তার মৃত্যুর পাঁচ বছর পূর্ণ হলো।

লাকী আখন্দের উল্লেখযোগ্য গানের মধ্যে রয়েছে— ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’, ‘মামনিয়া’, ‘বিতৃঞ্চা জীবনে আমার’, ‘কী করে বললে তুমি’ ‘লিখতে পারি না কোনও গান, ‘ভালোবেসে চলে যেও না’ প্রভৃতি।

বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সুরকার, সংগীত পরিচালক ও গায়ক লাকী আখান্দের জন্ম ১৯৫৬ সালে ১৮ জুন। ১৯৮৪ সালে সারগাম থেকে বের হয় লাকী আখান্দের প্রথম একক অ্যালবাম ‘লাকী আখান্দ’। তিনি হ্যাপি টাচ ব্যান্ডের সদস্য ছিলেন। তার সুর ও সংগীতায়োজন করা খুব জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে ‘এই নীল মনিহার’, ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’, ‘আমায় ডেকো না’, ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’, ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’, ‘মামনিয়া, ‘বিতৃষ্ণা জীবনে আমার’, ‘কী করে বললে তুমি’, ‘লিখতে পারি না কোনো গান, ‘ভালোবেসে চলে যেও না’। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ বেতারের পরিচালক (সংগীত)।

লাকী আখান্দ ৫ বছর বয়স বাবার কাছ থেকে সংগীতে হাতেখড়ি নেন। তিনি ১৯৬৩-১৯৬৭ সাল পর্যন্ত টেলিভিশন এবং রেডিওতে শিশুশিল্পী হিসেবে সংগীতবিষয়ক অনুষ্ঠানে অংশ নেন। তিনি মাত্র ১৪ বছর বয়সে এইচএমভি পাকিস্তানের সুরকার এবং ১৬ বছর বয়সে এইচএমভি ভারতের সংগীত পরিচালক হিসেবে যুক্ত হন।

লাকী আখান্দের সুর ও সংগীতায়োজনে উল্লেখযোগ্য অ্যালবামগুলো হলো— ‘যেখানে সীমান্ত তোমার’ (কুমার বিশ্বজিৎ), ‘কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে’ (সামিনা চৌধুরী), ‘আবার এলো যে সন্ধ্যা’ (হ্যাপী আখন্দ), ‘কে বাঁশি বাজায়রে’ (হ্যাপী আখন্দ)।

দৈনিক গোপালগঞ্জ
দৈনিক গোপালগঞ্জ